চিরকাল শত্রুরা আমার আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে: পরীমনি

বিনোদন
চিত্রনায়িকা পরীমনি
চিত্রনায়িকা পরীমনিছবি: পরীমনির ফেসবুক থেকে নেওয়া

ঢালিউডের জনপ্রিয় ও আলোচিত অভিনেত্রী পরীমনি। সম্প্রতি কন্যাসন্তানের অভিভাবকত্ব নিয়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন। দুই সন্তান নিয়ে পরীর এখন ভরা সংসার। সন্তানদের সামলে পুরোদস্তুর কাজেও ফিরেছেন। পশ্চিমবঙ্গের অভিষেক সিনেমা ‘ফেলুবক্সী’ ও ওয়েব ফিল্ম ‘রঙিলা কিতাব’-এর শুটিং নিয়ে তুমুল ব্যস্ত নায়িকা। কাজ ও সন্তানদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বেশ সরব পরী। শুধু তা-ই নয়, তাঁর বিভিন্ন স্ট্যাটাস নিয়ে চলে আলোচনা-সমালোচনা।
গতকাল রোববার একটু ভিন্ন ধরনের পোস্ট নিয়ে নেট দুনিয়ায় আবারও ‘রহস্যের জাল’ বিছালেন অভিনেত্রী। সমালোচক ও শত্রুতা প্রসঙ্গে একটি স্ট্যাটাস শেয়ার করেছেন পরী। লেখা হয়েছে, ‘শুনলে হয়তো অনেকে অবাক হবে, চিরকাল শত্রুরা আমার আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। কিংবা হয়তো পুরো শত্রু না, কিন্তু বন্ধুও না এমন লোক, যাদের নেগেটিভ কমেন্ট আমার দিকে ধেয়ে আসছে, বিশ্রি সমালোচনা, কিংবা জাজমেন্ট—এসব শুনে আমার মন খারাপ, মেজাজ খারাপ হয়েছে কি হয় নাই; কিন্তু আমার ডেডিকেশন আর আত্মসচেতনতা ধাই ধাই করে বেড়েছে—এই এদের জন্যে। এরা আসলে চিরকাল আমার অপকার করতে চেয়ে উপকার করে ফেলছে। আহা, যদি জানত!’

এ ছবিটি ফেসবুকে শেয়ার করেছেন পরীমনি
এ ছবিটি ফেসবুকে শেয়ার করেছেন পরীমনি

#পরীমনি আরও লিখেছেন, ‘এ রকম বহু হয়েছে। যখন কেউ জাজ করেছে, আমি সেটা একেবারে ফেলে দিইনি। বিবেচনা করেছি। নিজেকে নতুন করে বাজিয়ে দেখেছি। ফলাফল—নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করেছি, আরও আত্মবিশ্বাসী হয়েছি এবং আরেকটু ভালো কিছু ঝুলিতে যুক্ত হয়েছে। তাই যারা সমালোচনা করেছে, খোঁচা দিয়েছে, তারা আমাকে ভাঙতে গিয়ে আরও ইস্পাতকঠিন করে দিয়েছে। এরা জানেই না, কত উপকার করেছে!’ তিনি পরামর্শ দেন, যাঁরা নেতিবাচক বা তির্যক মন্তব্য করেন, তাঁদের স্বাগত জানানোর। তিনি মনে করেন, সমালোচকেরাই এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে।

কলকাতায় পরীমনি
কলকাতায় পরীমনিফেসবুক

অবশ্য লেখাটির বেশির ভাগ অংশ ধার করেছেন পরী। মিল খুঁজে পেয়ে লেখক মুনমুনের ফেসবুক পোস্ট কপি করেছেন নায়িকা। মুনমুনের দেওয়া পরামর্শ ভালো লাগায় তাঁর পোস্টে পরী লিখেছেন, ‘নিলাম’। শুধু তা-ই নয়, নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুনমুন শারমিন শামসকে মেনশনও করে দিয়েছেন পরী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *